@thatchapter0.0: Student Kills Her Teacher-Thinks She can Get Away With it | Part 10 | That Chapter #thatchapter #crime #cops #crimestory #crimestoriesusa #story #crimes #documentary #truecrime #truestory #drinsanity #documentary #news #journalism #murder #foryou #fyp #foryoupage

That Chapter
That Chapter
Open In TikTok:
Region: US
Sunday 16 February 2025 05:50:57 GMT
1385
45
1
0

Music

Download

Comments

teighhxoxo
Teighhxoxo :
Following my
2025-02-16 05:58:36
1
To see more videos from user @thatchapter0.0, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

বন্য পরিবেশে অসুস্থ বা দুর্বল হয়ে পড়া প্রাণীর পক্ষে বেঁচে থাকা কতটা কঠিন, তা আমরা জানি। বিশেষ করে সিংহের মতো শিকারি প্রাণীর ক্ষেত্রে দৃষ্টিশক্তি হারানো মানে খাবার খুঁজে পাওয়া, চলাফেরা করা এবং বিপদ এড়ানোর ক্ষমতা অনেকটাই হারিয়ে ফেলা। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার এক সিংহীর জীবন যেন এই কঠিন বাস্তবতার সামনে অন্য এক গল্প তুলে ধরেছিল। তার নাম জোসি। দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যাডো এলিফ্যান্ট ন্যাশনাল পার্কে বাস করত জোসি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার দৃষ্টিশক্তি ক্রমে কমতে থাকে, একসময় সে পুরোপুরি অন্ধ হয়ে যায়। সাধারণ পরিস্থিতিতে এমন অবস্থায় বন্য পরিবেশে টিকে থাকা অত্যন্ত কঠিন। শিকার ধরার জন্য শুধু শক্তি নয়, সঠিক সময়ে শিকারকে শনাক্ত করা এবং তার গতিবিধি বুঝতে পারাও জরুরি। কিন্তু জোসির জীবনে ছিল এমন দুই সঙ্গী, যারা তাকে একা হতে দেয়নি। তারা ছিল তার নিজের দুই মেয়ে—ডন ও ডাফি। মায়ের দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যাওয়ার পরও তারা তাকে ছেড়ে চলে যায়নি। বরং মায়ের সঙ্গে থাকা এবং তাকে সহযোগিতা করার বিষয়টি তাদের জীবনের অংশ হয়ে ওঠে। জোসি কোথাও চলাফেরা করলে তারা কাছাকাছি থাকত, আর খাবার সংগ্রহের ক্ষেত্রেও মাকে সাহায্য করত। শিকার ধরার পর দুই মেয়ে ডাক দিয়ে জোসিকে কাছে আসার সংকেত দিত বলে বিভিন্ন বিবরণে উল্লেখ রয়েছে। সেই শব্দ অনুসরণ করে জোসি খাবারের কাছে পৌঁছাতে পারত। এভাবেই দৃষ্টিশক্তি হারানোর পরও সে নিজের দলের সঙ্গে থাকতে এবং খাবার পেতে সক্ষম হয়েছিল। তবে জোসি সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েছিল, এমনটা ভাবারও কারণ নেই। দৃষ্টিশক্তি হারালেও শ্রবণশক্তি ও ঘ্রাণশক্তি অনেক প্রাণীর চলাফেরা এবং পরিবেশ বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জোসিও এই ইন্দ্রিয়গুলোর সাহায্যে নিজের চারপাশ সম্পর্কে ধারণা পেত। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, জোসির দুই মেয়ে তাকে দলের বাইরে ফেলে দেয়নি। বন্য পরিবেশে যেখানে খাবার ও নিরাপত্তার জন্য প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হয়, সেখানে মায়ের পাশে তাদের থাকার এই গল্প মানুষের কাছে বিশেষভাবে হৃদয়স্পর্শী হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন বিবরণ অনুযায়ী, জোসি ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিল। বন্য সিংহীর জন্য এই বয়সে পৌঁছানো উল্লেখযোগ্য। তবে অন্ধ অবস্থায় তার পাঁচ বছরের বেশি বেঁচে থাকার এবং দুই মেয়ের নির্দিষ্ট সহযোগিতার বিবরণগুলো নির্ভরযোগ্য মূল সূত্র দিয়ে যাচাই করা জরুরি। জোসির গল্পের সবচেয়ে সুন্দর দিকটি হলো, দুর্বল হয়ে পড়লেও সে একা ছিল না। তার পাশে ছিল নিজের সন্তানরা। প্রকৃতিতে প্রাণীরা কীভাবে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে, এই কাহিনি সেই সম্পর্কের কথাই মনে করিয়ে দেয়। মায়ের চোখের আলো নিভে গিয়েছিল, কিন্তু পাশে ছিল তার দুই মেয়ে। কখনও কখনও বেঁচে থাকার লড়াইয়ে শক্তির পাশাপাশি সঙ্গও কতটা গুরুত্বপূর্ণ, জোসির গল্প আমাদের সেই কথাই মনে করিয়ে দেয়। #animals #animallove #southafrica #lion #factgenbd
বন্য পরিবেশে অসুস্থ বা দুর্বল হয়ে পড়া প্রাণীর পক্ষে বেঁচে থাকা কতটা কঠিন, তা আমরা জানি। বিশেষ করে সিংহের মতো শিকারি প্রাণীর ক্ষেত্রে দৃষ্টিশক্তি হারানো মানে খাবার খুঁজে পাওয়া, চলাফেরা করা এবং বিপদ এড়ানোর ক্ষমতা অনেকটাই হারিয়ে ফেলা। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার এক সিংহীর জীবন যেন এই কঠিন বাস্তবতার সামনে অন্য এক গল্প তুলে ধরেছিল। তার নাম জোসি। দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যাডো এলিফ্যান্ট ন্যাশনাল পার্কে বাস করত জোসি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার দৃষ্টিশক্তি ক্রমে কমতে থাকে, একসময় সে পুরোপুরি অন্ধ হয়ে যায়। সাধারণ পরিস্থিতিতে এমন অবস্থায় বন্য পরিবেশে টিকে থাকা অত্যন্ত কঠিন। শিকার ধরার জন্য শুধু শক্তি নয়, সঠিক সময়ে শিকারকে শনাক্ত করা এবং তার গতিবিধি বুঝতে পারাও জরুরি। কিন্তু জোসির জীবনে ছিল এমন দুই সঙ্গী, যারা তাকে একা হতে দেয়নি। তারা ছিল তার নিজের দুই মেয়ে—ডন ও ডাফি। মায়ের দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যাওয়ার পরও তারা তাকে ছেড়ে চলে যায়নি। বরং মায়ের সঙ্গে থাকা এবং তাকে সহযোগিতা করার বিষয়টি তাদের জীবনের অংশ হয়ে ওঠে। জোসি কোথাও চলাফেরা করলে তারা কাছাকাছি থাকত, আর খাবার সংগ্রহের ক্ষেত্রেও মাকে সাহায্য করত। শিকার ধরার পর দুই মেয়ে ডাক দিয়ে জোসিকে কাছে আসার সংকেত দিত বলে বিভিন্ন বিবরণে উল্লেখ রয়েছে। সেই শব্দ অনুসরণ করে জোসি খাবারের কাছে পৌঁছাতে পারত। এভাবেই দৃষ্টিশক্তি হারানোর পরও সে নিজের দলের সঙ্গে থাকতে এবং খাবার পেতে সক্ষম হয়েছিল। তবে জোসি সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েছিল, এমনটা ভাবারও কারণ নেই। দৃষ্টিশক্তি হারালেও শ্রবণশক্তি ও ঘ্রাণশক্তি অনেক প্রাণীর চলাফেরা এবং পরিবেশ বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জোসিও এই ইন্দ্রিয়গুলোর সাহায্যে নিজের চারপাশ সম্পর্কে ধারণা পেত। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, জোসির দুই মেয়ে তাকে দলের বাইরে ফেলে দেয়নি। বন্য পরিবেশে যেখানে খাবার ও নিরাপত্তার জন্য প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হয়, সেখানে মায়ের পাশে তাদের থাকার এই গল্প মানুষের কাছে বিশেষভাবে হৃদয়স্পর্শী হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন বিবরণ অনুযায়ী, জোসি ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিল। বন্য সিংহীর জন্য এই বয়সে পৌঁছানো উল্লেখযোগ্য। তবে অন্ধ অবস্থায় তার পাঁচ বছরের বেশি বেঁচে থাকার এবং দুই মেয়ের নির্দিষ্ট সহযোগিতার বিবরণগুলো নির্ভরযোগ্য মূল সূত্র দিয়ে যাচাই করা জরুরি। জোসির গল্পের সবচেয়ে সুন্দর দিকটি হলো, দুর্বল হয়ে পড়লেও সে একা ছিল না। তার পাশে ছিল নিজের সন্তানরা। প্রকৃতিতে প্রাণীরা কীভাবে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে, এই কাহিনি সেই সম্পর্কের কথাই মনে করিয়ে দেয়। মায়ের চোখের আলো নিভে গিয়েছিল, কিন্তু পাশে ছিল তার দুই মেয়ে। কখনও কখনও বেঁচে থাকার লড়াইয়ে শক্তির পাশাপাশি সঙ্গও কতটা গুরুত্বপূর্ণ, জোসির গল্প আমাদের সেই কথাই মনে করিয়ে দেয়। #animals #animallove #southafrica #lion #factgenbd

About